বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

৫০৫

স্বপ্নকন্যা মেঘবতি

লাহিম আহমেদ

প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৯  

-হঠাৎ ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।ঘড়ির কাঁটায়  তখন
সময় রাত ২টা ৪০। পাশেই টেবিলে রাখা হাত ঘড়িটা দেখলাম পরিষ্কার চাঁদের আলোয়। খোলা জানালা দিয়ে ঘরে আলোর প্রবেশ করেছে।জানালাটা দক্ষিণে খোলা। মৃদু বাতাস আর জ্যোৎস্নার উজার করা আলো ভালোই লাগছিলো।কিন্তু হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে যাওয়ায় একটু বিরক্ত বোধ হলো।সারা দিন গাড়িতে যাত্রা করে একটু বেশি ক্লান্ত লাগছিলো। তবে রাতের এই অপূর্ব পরিবেশটা সেই বিরক্ত ঢেকে দিলো সৌন্দর্যে। জানালায় লাগানো লোহার চিকন দন্ড গুলোর ফাঁকে পরিষ্কার ভাবে আকাশ টা দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। আকাশে হাজারো তারার মেলা। আর মাটিতে জোৎস্ন্যার খেলা। মৃদু বাতাসে দাড়িয়ে থাকা গাছ গুলোর চোখে যেন ঘুম নেই, গা দুলিয়ে লম্বা দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে  আছে। প্রকৃতি অপরুপ এক খেলায় তখন মগ্ন।চাঁদের আলো যেন মাটিকে ছুঁতে চাইছে কিন্তু পহারাদার গাছ গুলো হিংসা করে তার হস্ত তুল্য পাতা দিয়ে আড়াল করতে চাইছে। গাছ গুলো হয়ত চাচ্ছে না যে চন্দ্র কিরণ মাটি কে স্পর্শ করুক। তাহলে যে মাটির অহংকার টা উর্ধ্বে গমন করবে।

মনে হল দক্ষিণা বাতাসের কাছে গাছের এ হিংসুক আচরণ ভালো লাগে নি। তাই ত বাতাস মৃদু বেগে পাতা গুলোকে সরিয়ে দিচ্ছে
বার বার। কিন্তু পাতা গুলো যেন সরতে নারাজ। মনে হল তুমুল লড়াই চলছে ওদের মধ্যে।
চারিদিক অপূর্ব সৌন্দর্যে চোখ জুড়িয়ে আসল। মনে হলো আমি এক অন্য জগতে। রাত, জ্যোৎস্না আগেও দেখেছি কিন্তু আজ অনুভূতিটাই অন্য রকম।  

শাহেদ এর গ্রামে এই প্রথম আমার আগমন ঘটেছে। ও আমার ভালো বন্ধু ।পরীক্ষা শেষ হয়েছে তাই কয়েক দিন ওদের গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে এসেছি। গ্রামের অপরুপ লীলাভূমি,মুক্ত হাওয়া,সবুজের স্বর্গে আমার অন্তদৃষ্টি কে যেন হারিয়ে ফেলেছি। অসম্ভব সুন্দর ছবির মত গ্রাম। শাহেদ দের মস্ত বাড়ি তে সন্ধ্যায় এসে পৌঁছেছিলাম। বাড়ি টা ভালোই পুরাতন। মস্ত বড় এ বাড়িটা যে পুরাতন তা ইটের গাঁথুনির গায়ে শেওলা, ছাদের ভাঙা ভাঙা অংশ গুলো আর লোহার বড় বড় দণ্ড দেখেই বুঝা যায়। শাহেদের কাছে শুনেছি ওর দাদার বাবা এ গ্রামের জমিদার ছিল। যদিও অনেক নতুন ঘর,ছোট দালান উঠেছে কিন্তু কিছু কিছু ঘর
আগের মতই রাখা আছে। ওর মা অবশ্য আমাদের বলেছিলো নতুন ঘরে থাকতে কিন্তু আমি শাহেদ কে অনুরোধ করেছিলাম আমরা পুরোনো ভবনেই থাকবো কারণ একটা অন্য রকম অনুভূতি এসেছিলো এই দোতলা পুরোনো দালান দেখে। ওর দাদা আর চাচা এই ভবনটাতে থাকে। আমরা উঠেছি নিচ তলায় পশ্চিম পাশের রুমে।যেহেতু পুরাতন ভবন,আগের জমিদার শ্রেণীর তাই দেখলাম নিচ তলাতে উঠতে ৭ টি সিঁড়ি ডিঙিয়ে উঠতে হয়। 

চাঁদনী রাতে মনের মধ্যে খুব একটা অন্য রকম ভাব অনুভুত হল।বাইরে প্রকৃতির আন্দের মেলা আমায় যেন আকৃষ্ট করছে।আমি আমার খাতা আর কলমটা নিয়ে জানালার ধারে গেলাম, চাঁদ দেখব আর কথার ফুল ঝুড়ি আঁকব বলে।জানালার ধারে বসতে না বসতেই চোখ টা গেল বাড়ির সামনে থাকা জল কুমারী পুকুরের দিকে। ওদের বাড়িতে আসার পড়ই এই পুকুর টা
আমার অনেক অনেক ভালো লেগেছে। তাই ত আমি নিজেই এ পুকুর টার নাম রেখেছি জল কুমারী। এটা ওদের পারিবারিক পুকুর। চার পাশ সবুজ ঘাস আর পদ্ম ফোটা পুকুরে যেন চাঁদের আলোর মেলা বসিয়েছে। জল কুমারীর ঘরে যেন চন্দ্র কুমার জোৎস্ন্যা ঢেলে দিয়েছে।ঠিক অন্যরকম একটা ছবির মত, মনে হয় সেই কত কাল আগে বুকের মধ্যে এরকম অপরূপ দৃশ্য এঁকে রেখেছি। একটু পর পর যখন পুকুরে অনন্দে ভাসা ছোট মাছ গুলো ছলাৎ ছলাৎ করে লাফাচ্ছিলো সমস্ত পুকুরে যেন চন্দ্রের আলো ছড়িয়ে পড়তে লাগল। মৃদু ঢেউ খেলতে লাগল,আলো কুড়াতে কুড়াতে যেন পারের দিকে সমস্ত জোৎস্না জল ছুঁয়ে এসে দোলা দিচ্ছিল।
আমার যেন অদ্ভুদ একটা নেশা লেগে গেল আমি প্রকৃতিকে উপভোগ করতে খুব ভালোবাসি ।প্রকৃতি যেন আমার
শিক্ষক। আমায় অনেক কিছু শেখায়,আমি শিখি।প্রকৃতি নিস্পাপ,কলঙ্ক মুক্ত।ওর না আছে হিংসা,না আছে অহংকার।
দরজাটা আস্তে আস্তে খুলে ছুটে গেলাম জোৎস্ন্যা ঝড়া জল কুমারী পুকুর পারে।কারণ শাহেদ কে আর এই রাতে বিরক্ত করতে চাইনা ও ঘুমাক। রাতে এত সুন্দর চন্দ্র আলোয় প্রকৃতি আমায় ধরা দিলো আমি মুগ্ধ সত্যি আমি মুগ্ধ।কেমন যেন অনন্দ, উল্লাস ভেতরে জাগান দিচ্ছিল। জানালা থেকে দেখছিলাম যেন প্রকৃতির সংকির্ণ রুপ।কাছে আসতেই যেন প্রকৃতির বিস্তৃত রুপে চোখ জুড়িয়ে গেল। চারিদিকে ছোট ছোট  দানবের মত দাঁড়ানো  নিরব সবুজ গাছে ঘেরা পুকুর পার, সামনে বিস্তৃর্ন সবুজ
ঘাসের ছোট একটা মাঠ। আর সেই খানে রাখা বহু আগে তৈরি করা জীর্ন একটা বেঞ্চ(বসার জন্য)। আমি চারি দিকে অপরূপ সৌন্দর্য অবলোকন করতে করতে বেঞ্চে গিয়ে বসলাম। পায়ের উপর পা তুলে তাকিয়ে আছি জল আর চন্দ্র লোকের এ আলোর মধুর আলিঙ্গনের দিকে। ভাবছি আর হৃদয় পটে কথার মালা গাঁথছি। নয়ন তারা জাগান দিয়ে যেন এ অপরুপ সুন্দর দৃশ্য অঙ্কন  করছে। বিভোর ঘোরে যখন একা এ স্তব্ধ নিশিতে চন্দ্র আর জলের মিলন মেলায় তাকিয়ে আছি হঠাৎ করে সবুজ ঘাসের বুকে নূপুরের আওয়াজ ভেসে এল। আমার কর্ণ সজাগ হল।হ্যাঁ, কারো হেটে চলার ছন্দ। নিক্কন তালে কে যেন আসছে আমার
পিছন দিক থেকে। আমি ভাবলাম কল্পনায় হয়ত অনুভব করছি এত রাতে। আমি একটু কল্পনা বেশি করি,হারিয়ে যাই অল্পতেই। না ভুল শুনেছি হয়ত। তাই চোখ টা বন্ধ করে একটু ভাবতে চাইলাম, এই নিশি তে যদি কোন মহিনী হাসি উড়িয়ে আমার নিকট বসে থাকত,তাহলে চাঁদ আর জলের রুপবতি মিলন মেলার গল্প বলতে বলতে প্রভাতটা রাঙিয়ে ফেলতাম। রং এর আল্পনায় এ মুহূর্ত কে মনের মাধুরী মিশিয়ে অঙ্কিত করে হৃদয়ের ফ্রেমে টানিয়ে রাখতাম।

নাহ্ সত্যি এটা বাস্তব নুপুরের শব্দ। শব্দ টা যেন আরো দ্রুত ধেঁয়ে আসতে লাগল আমার কর্ণ মন্দিরে। পা টা নামিয়ে দাঁড়িয়ে আমি ডান দিকে ঘুরে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিলাম পূব দিকে। একি! আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। অবিশ্বাস্য! এত রাতে এ জোৎস্না ঝরা  খ-খ আলোর মিছিলে কোন মায়াবী এলো? লাজুক মুখে ডান দিকে তাকিয়ে থেকে আস্তে  আস্তে কদম দুখানা ভীরু ছন্দে এগিয়ে যাচ্ছে জল কুমারীর কাছে। আমি ভাবলাম হয়ত শাহেদের কোন আত্মীয় স্বজন হবে।কিন্তু এত রাতে মেয়েটি বাইরে কি করছে?শাহেদ যে বলেছিল ওর আত্মীয় স্বজন শহরে থাকে এখানে শুধু বৃদ্ধ দাদা আর চাচা থাকে।ওর পরিবারের সবাই কে ত চিনি।কিন্তু এমন কোন মেয়ের কথা ত শুনিনি। সে যাই হোক ,হয়ত নিশি রাতে চন্দ্র খেলা দেখতে এ নির্জনে বের হয়েছে।যাক ভালই হল,
এই নিস্তব্ধ জোৎস্ন্যা ঝড়ানো নিশি টা একটু কারো সাথে কথা বলে কাটাতে পারব।
এই কল্পনা যখন আমার মস্তিষ্কে তখন দেখি সে পূব দিক ঘুরে আবার সামনে দিক দিয়ে পুকুর পাড়ে যাচ্ছে । মুখটা সঠিক চেনাই যাচ্ছিলো না।  মনে হলো কোন আলোর তির্জক ফলক তার চেহারায়। কিন্তু মহিনী টার পড়নে আমার পছন্দ করা নীল একটা
শাড়ি, আর দুহাতে কাঁচের চুড়ি। আর সব চেয়ে অবাক করা আমার নেশা ধরানো সেই মন্ত্র, তার চুল গুলো গুছিয়ে বা কাঁধে এনে রেখে দিয়েছে । আমি তার দিকে চেয়ে আছি আর বাঁকানো কাঁধের খোলা গোছানো চুলের প্রতি যেন আমি কেমন দুর্বল হয়ে পড়লাম একটু পর পর সে মৃদু হাসিতে মুখ রাঙিয়ে আমার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছিল। সেই মহিয়সী কে দেখলাম পুকুর পাড়ে সিঁড়ি ঘাটে  স্থির হয়ে নূপুরে নিক্কন তোলা পা মেলে বসতে। আমি কাছে যেতেই অসম্ভব একধরনের সুবাস যেন চারি দিক থেকে আমার নস্তিকায় এসে আশ্রয় নিল। সৌন্দর্যের সুসংবাদটা মনে হয় তার ছড়ানো মিষ্টি সুগন্ধ জানান দিলো। অসম্ভব সুন্দর একটা সুগন্ধ রিতিমত অবাক করার মত। আমি সে সুবাস এর আগে কখনো কোথাও পাই নি। আমি কল্পনাতেও কখনো ভাবিনি।

জলকুমারীর কাছে গিয়ে কন্যা তার সুন্দর্য খানা জলের উপর উকি দিয়ে চন্দ্র আলোতে দেখে হেসে কুটি কুটি হচ্ছে। আরেকটু কাছে যেতেই আমি বিভোর চিত্তে তাকে প্রশ্ন করলাম
-কে তুমি ,এতো রাতে এই সুগন্ধ মেখে এই চাঁদনী রাতে জোৎস্ন্যা ভেজা জলের ধারে কি করতে এসেছ ?
তার কোন জবাব আসল না। এবার দু হাতে জল তুলে খেলতে লাগল সে। আমি আবার তাকে প্রশ্ন করলাম- তোমার
নাম কি? ভয় কেন কথা বলো? কে তুমি? কিছুক্ষণ মায়াবি হাসি হেসে তার কাঁধের চুলে হাত বোলাচ্ছিল।
-আশ্চর্য !প্রশ্ন করছি কোন উত্তর দিচ্ছনা কেন? কে তুমি?
এবার উত্তর এলো তাও আবার ছন্দের দোলায়।
” নিশি রাতে ঐ কুঠিরে আর,
পথও চেয়ে কত দিন রবো,
আমি মেঘবতি একেলা আকাশ হৃদয়
আমার,
বলো আর কত দিন দু:খের স্পর্শ নিবো ।”
আমি শুনে অবাক হলাম।এত সুন্দর করে কথা বলতে পারে।
- বাহ খুব সুন্দর ছন্দে কথা বলতে পাড়ো ত তুমি। তোমার নামটাও বেশ সুন্দর মেঘবতি। আচ্ছা তোমার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছেনা কেন?এতো আলো?
আমায় ক্ষিণ স্বরে বলে উঠল
-দেখবে আমায়? 
আমি  বললাম 
- হ্যাঁ, দেখব।
আমাকে তাকাতে বলল তার রুপের রাজ্যেরদিকে। আমি তাকাতেই আরো যেন
আলোর ফোয়ারা এসে আমায় দেহ দোলাতে দোলাতে মাটিতে নুইয়ে পড়লাম এবং আমার মাথাটা তার কোলের উপরে। যখনই সে মাথায় হাত দিল আমি যেন ঘুমের দেশে পাড়ি জমালাম। সুখের পঙ্খীরাজে উড়ে বিভোর ঘুমের রাজ্যে চলে আসলাম।

সকালে যখন ঘুম ভাঙ্গল দেখি আমি সেই বেঞ্চে
শুয়ে আছি। সারা শরীর বৃষ্টির জলে ভেজা।রাতে বৃষ্টি ঝড়েছে তা আমার ঘুমন্ত রাজ্যে প্রভাব ফেলে নি।হাতের কাছে একটা নূপুর মনে হয় এটাই মেঘবতির।শাহেদ আমায় ডাকছে।ঘর ছেড়ে আমি এখানে কেন? শাহেদের দাদা  আমায় বকছে, রাতে বের হবার জন্য।কেন আমি রাতে একা বের হয়েছি? পুরোতন বাড়ি সমস্যা কিছু থাকতেই পারে।কিন্তু আমার ত আর কোন ক্ষতি সাধন করেনি।

আমি তখনই আবার সেই জল কুমারী পুকুরের পাড়ে গিয়ে দাড়িয়ে থাকলাম কিছুক্ষণ।এত আমার স্বপ্ন নয়। শাহেদ কে জিজ্ঞেস করলাম তোদের এখানেত সেই মেয়ে টা আছে তাই না।যে স্তব্ধ রজনী তে বের হয় প্রকৃতিতে মায়াবী দেহ গড়ন,রুপের যৌলস নিয়ে প্রকৃতিতে ধরা দেয়, জোৎস্নার অভয় অরণ্যে যে বিস্তার করে। যে ছন্দের আলোকে কথার ঝর্ণা প্রবাহিত করে।যে সুন্দর্যের তির্যক কিরণে হিরক খন্ড দেহ খানা সাজিয়ে রাখে। বাঁ কাঁধে চুল এলিয়ে হাতে তালমাতাল কাঁচের চুড়ির শব্দ।

শাহেদ বলল এটা নাকি দেখার ভুল আমার। এরোকম কেউ এখানে নেই । আমি তা মান তে নারাজ নিজের চোখে দেখেছি। নিজের চোখ কে কেমন করে অবিশ্বাস করব।এই নূপুর! শাহেদ কে দেখালেও ও বিশ্বাসের  আটখানা চাদর পড়তে নারাজ। সেটা ওর মনের ব্যপার।কিন্তু আজ আমি সত্যি যেন সে মায়ার জালে বন্দি হয়ে গেছি। তাকে দেখার অপেক্ষায় নিজেকে শান্ত রাখতে পারছিলাম না।

পর দিন রাতে জেগে ছিলাম সারা রাত। কিন্তু সে রাতে আর আলোক মশাল দেহ নিয়ে নূপুরের ছন্দে জলকুমারীর কাছে আর এলো না মেয়েটি। এই রাতে চন্দ্র আর জলের মিলন মেলা আর দেখতে এলোনা। ছন্দের তালে কথার মালা বুনার জন্য আর এলো না।কিন্তু আমি অপেক্ষায় ছিলাম। সে আসবে হাসি উড়িয়ে, আবার সে তৃঞ্চার্ত চতুর আঁখি তে ধরা দিবে।
পর পর দুই রাত ঘুমের সাগরে পাড়ি জমাইনি। চাতক পাখির মত সারা রাত চোখ খোলা রেখে জলকুমারীর কাছে বসে কাটিয়েছি 
মেঘ কলিকে দেখব বলে। কিন্তু এলোনা আজ ও এলোনা ।অন্তর চক্ষুকে হতবাক করে স্মৃতির এই নূপুর খানা আমায় উপহার দিয়ে কোথায় যে হারিয়ে গেল আর ধরা দিল না।
 যানিনা সে কেমন করে দেখা দিবে। আদৌ  তার দেখা আমি পাবো কিনা?মাঝে মাঝে আকাশ দেখি চন্দ্র রাতে হয়ত মেঘবতির দর্শন পাবো বলে। অপেক্ষার সাগরে মেঘ কলির অপেক্ষায় আজও ভাসছি।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো