বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৪১০

সৌন্দর্যের লীলাভূমি ‘রাজার পাহাড়’

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

ঢেউফা নদীর শান্ত শীতল জলের স্রোতধারা এক টানা বয়ে চলেছে এঁকে-বেঁকে। সহজ সরল এ নদীর বুকে জেগে উঠা চরের বালু চকচক করছে। এর পাশেই বিশাল উঁচু টিলা রাজার পাহাড়। নদী আর সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি রাজার পাহাড় যেন ঐশ্বরিক স্বপ্নপুরি। এর কূল ঘেঁষে নানা কারুকার্যে সাজানো উপজাতি এলাকা বাবেলাকোনা। এ গ্রাম যেন যোগ করেছে সৌন্দর্যের নতুন মাত্রা। ঢেউফা নদীর দু’পাশে সবুজ বৃক্ষ আচ্ছাদিত অসংখ্য উঁচু-নিচু পাহাড়। গভীর মমতা আর ভালবাসায় গড়া উপজাতিদের বর্ণিল জীবনধারা। অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিলিত আহ্বান।

মনোমুগ্ধকর এই জায়গাটি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের মেঘালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। পুরো এলাকাটিই যেন অবারিত সবুজের মহা সমারোহ।। প্রতিদিন শত শত মানুষের সমাগম ঘটছে। শেরপুর শহর থেকে ৩৪ কিলোমিটার এবং শ্রীবরদী পৌর শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরের পাহাড়টি পরিণত হয়েছে বিনোদন স্পটে।

রাজার পাহাড়ের চারপাশের নানা প্রজাতির গাছগাছালিও অপূর্ব সৌন্দর্যময়। সেখানকার বাসিন্দা নির্মল কোচ ও দেবেন্দ্র মারমা জানান, ১৯৮০ সালে রাজার পাহাড়ের চূড়ায় বসবাস করতেন পাগলা দারোগা। তিনি মারা গেলেও ছেলেমেয়েরা রয়ে গেছেন এখানেই। তারাই টিলার এক কোনায় গড়ে তুলেছেন কাঁঠাল, লিচু ও কলার বাগান।

এর নৈসর্গিক দৃশ্যসহ দূর থেকে মেঘালয় রাজ্যের সৌন্দর্য দেখতে ভিড় করা ভ্রমণপিপাসুদের দাবি, এটি পর্যটনকেন্দ্র হলে তাদের চাহিদা পূরণে যোগ হবে নতুন মাত্রা।

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে বাসে বা যে কোনো যানবাহনে আসা যায় শেরপুর শহরে। এখান থেকে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার দূরে শ্রীবরদীর কর্ণঝোরা বাজার। বাস, টেম্পুসহ যে কোনো যানবাহনে আসা যায় মনোমুগ্ধকর নয়ানিভিরাম স্থান রাজার পাহাড়ে পাশেই রয়েছে অবসর কেন্দ্র। রাত হলে সেখানে থাকার জন্য রয়েছে নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসিক ভবন। কম খরচে ,কম সময়ে এ গারো পাহাড় আপনাকে দেবে অনাবিল আনন্দ।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো