শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২৬ ১৪২৭   ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪১

১৬৫

মাসিক ভাতা দেয়া হবে ১১ শতাধিক খেলোয়াড়কে

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২০  

করোনাভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্ব স্থবির। গৃহবন্দি সব পেশার মানুষ। বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের খেলাধুলা। দেখা দিয়েছে আর্থিক সংকট। এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড় ও খেলাধুলার উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যুগান্তরের সঙ্গে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

করোনাভাইরাসের  এরকম একটা অবস্থার মধ্যে কোনোভাবেই তো ভালো থাকা যায় না। সারা বিশ্বে যে অবস্থা চলছে তাতে ভালো থাকার সুযোগ আছে? এত বড় একটি দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য আমরা আসলে কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। বিশ্বের মানুষ সবাই এক সঙ্গে ঘরমুখী হয়ে যাবে, এটাও কেউ কখনও চিন্তা করেনি।

করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বে আর্থিক মন্দার বিষয়টি সারা বিশ্বেই কম বেশি দেখা দেবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো সারা বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। তবে আমরা চেষ্টা করছি, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিভাগের লোকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সকলকেই নির্দেশনা দিচ্ছেন যেন এক টুকরো জমিও খালি রাখা না হয়। সবাই যেন সেটিকে কাজে লাগায়, চাষাবাদ করে। খাদ্য সংকট মোকাবেলা করতে পারলে অর্থনৈতিক সংকট ধাপে ধাপে মোকাবেলা করা যেতে পারে। তবে সবার আগে হলো জীবন, মানুষ যাতে মৃত্যুবরণ না করে রাষ্ট্র সে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহায্য দিচ্ছেন। ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে চাল দিয়েছেন, আরও ৫০ লাখ পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল দেবেন। তারপরে ২ কোটি অস্বচ্ছল পরিবারকে ২৪০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেবেন। ১ লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন। এই বিপদে আমাদেরও যার যার অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।

আমরা আসলে এতটা অমানবিক কখনও ছিলাম না, এখন যেমন কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তাকে ঘৃণার চোখে দেখা হচ্ছে। কেউ মারা গেলে তার জানাজায়ও অংশ নিচ্ছেন না। আসলে এটি খুবই কষ্টের বিষয়। অনেকে মনে করছেন রোগীর (মৃত ব্যক্তির) কাছে গেলে আমি হয়তো আক্রান্ত হতে পারি, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। তবে সবার আগে মনুষত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে। টাঙ্গাইলে দুই সন্তান তার মাকে হাসপাতালে নেয়ার কথা বলে জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে গেছে। পরে দেখা গেলো ওই মহিলার শরীরে করোনার আলামত ছিল না। এটা কি মনুষত্বের পরিচয় হতে পারে?

আমরা জানি বিপদেই মনুষত্বের পরিচয় ফুটে ওঠে। বিপদেই আসল বন্ধুর পরিচয় মেলে। কিন্তু সন্তানেরা মায়ের সঙ্গে যা করল তা অমানবিক। করোনায় আক্রান্ত বলে আপনি যাকে অবহেলা করছেন, দুদিন পরে আপনিও তো আক্রান্ত হতে পারেন! তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা কখনই ঠিক নয়।

যারা আক্রান্ত রোগী আছেন আমরা তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হব। তাকে সাহস দেব, শক্তি যোগাব, কখনও হতাশ করব না। আমরা জানি যে সতর্ক থাকার কারণে ৮০-৯০ শতাংশ রোগী কোনো ঔষধ ছাড়াই এমনিতে ভালো হয়ে যাচ্ছেন। তাই কাউকে ভয় দেখিয়ে আতঙ্কগ্রস্থ করে মেরে ফেলা তো ঠিক হবে না। করোনা আক্রান্ত রোগীকে অবহেলা করলে সে এমনিতেই আরও অসুস্থ হয়ে যাবে। তাহলে অন্য কোনো রোগ তার মধ্যে দেখা দেবে সে মারাও যেতে পারে।

আমি বলব, এখনই আমাদের মনুষত্বের পরীক্ষা দেয়ার সময়। আমরা ঘরে থেকেও কিন্তু সেই পরীক্ষায় উত্তির্ণ হতে পারি। আপনারা ঘরে থাকুন, স্বাস্থবিধি মেনে চলুন, সতর্ক হোন, পাশে কেউ আক্রান্ত হলে তাকে সাহস যোগান, নিজে আতঙ্কগ্রস্থ হবে না, অন্যকেও আতঙ্কিত করে এটাকে ছড়িয়ে দেবেন না।

আপনারা জেনে থাকবেন আমরা কিছু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের একদিনের বেতন, আমার এক মাসের বেতন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা দিয়েছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফেডারেশন ও জেলাগুলোর ডিসির সঙ্গে কথা হয়েছে। খেলোয়াড়রা কিন্তু বিভিন্ন জেলা থেকেই উঠে আসে, এজন্য প্রত্যেক জেলার ডিসির সঙ্গে কথা হয়েছে।

যেসব খেলোয়াড়রা অসহায় অবস্থায় আছেন, ঘরোয়া লিগ খেলেই যারা সংসার চালাতেন, খেলা বন্ধ থাকায় তারা অসহায় হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসনকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় খেলোয়াড়দের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

তাছাড়া ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ভাই, ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ভাইয়ের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। তাদেরকেও আমি বলেছি সাধ্যমতো অসহায় হয়ে পড়া খেলোয়াড়দের সহযোগিতা করার জন্য। ইতিমধ্যে বিসিবি এবং বাফুফে কাজ শুরু করেছে। এছাড়া অন্যান্য ফেডারেশনের সভাপতিদের সঙ্গেও আলাপ আলোচনা হয়েছে তাদেরকেও বলেছি সহযোগিতা করতে।

আরেকটি বিষয় হলো আমাদের যেমন অনেক ধরনের ভাতা আছে, মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক ভাতাসহ আরো অনেক ভাতা আছে। আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য কোনো ভাতার সিস্টেম চালু নেই। গত বছর আমরা প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ইচ্ছায় খেলাধুলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, যেমন খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি, ম্যানেজার বা ক্রীড়া সাংবাদিকসহ আরও যারা আছে তাদের আমরা ভাতার আওতায় আনব। আমরা মুজিববর্ষের এপ্রিল মাসের মধ্যেই ঘোষণা দেয়ার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে যে তালিকা তৈরি করেছিলাম সেটা স্থগিত রেখেছি। করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছি, আমার সারা দেশের ১১৫০জন খেলোয়াড়কে মাসিক ২ হাজার করে টাকা দেব। এই সমস্যা কেটে গেলেই সব জেলা প্রশাসককে আহ্বান করে আমরা এটা বাস্তবায়ন করব।

এখন ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সব খেলাই বন্ধ। এ অবস্থায় যিনি খেলোয়াড় তার কিন্তু মূল শক্তি হলো ফিটনেস। এখন ফিটনেসই যদি ঠিক না থাকে তাহলে সে কিভাবে খেলবে। তার যে অবস্থা সেটা সে ধরে রাখতে পারবে না। বিশ্বের যেসব খেলোয়াড় আছে, তারা কিন্তু মাঝে মধ্যে ভিডিও দিচ্ছে, ঘরে থেকেই তারা ফিটনেস ফিট রাখতে কাজ করছে। আমরাও খেলোয়াড়দের কাছে আহ্বান জানিয়েছি, ফেডারেশনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা যাতে তাদের খেলোয়াড়দের জানিয়ে দেয় বাড়িতে থেকেও যেন ফিটনেস ধরে রাখে। কারণ এই সমস্যা তো আর জনমের জন্য না, সমস্যা কেটে গেলে তারা যেন খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে।

ক্রিকেট অনেক জনপ্রিয়, এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। আমরা যদি এখনও গ্রামে-গঞ্জে যাই সেখানে ফুটবল খেলায় যে পরিমাণ দর্শক হয় অন্য খেলায় কিন্তু এত বেশি দর্শক হয় না। আমাদের ফুটবল যে পর্যায়ে যাওয়ার কথা ছিল সেখানে যেতে পারেনি। ফুটবলের মান অবনমন হয়েছে। আমরা ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করছি। সরকারের পক্ষ থেকেও ফুটবলের জাগরণ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে।

আমাদের দেশে ৫৩টা ক্রীড়া ফেডারেশন বা অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে, তাদের দিয়েই কিন্তু আমরা বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন করে থাকি, সেজন্য টাকাও বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু আমরা যখন দেখেছি ফুটবল ফেডারেশন সেভাবে উন্নয়ন করতে পারছে না সেজন্য আমরা নিজেরাই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফুটবলের উন্নয়নে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন করছি। যেটি করার কথা ছিল বাফুফের। এর আগে কখনই মন্ত্রণালয় টুর্নামেন্ট আয়োজন করেনি, আয়োজক ছিল বাফুফে আর্থিক সহযোগিতায় ছিল মন্ত্রণালয়।

কিন্তু গত বছর বা তার আগে থেকে আমরা বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু অনূধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছি। ১০১টা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ইন্টার ইউনিভার্সিটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছি, এগুলো কিন্তু ফুটবলের জাগরণেই করা হয়েছে। ফুটবলকে আগের গৌরবের জায়গায় ফিরিয়ে আনতে এবছর থেকে আন্তঃকলেজ টুর্নামেন্ট শুরু করতে চাচ্ছি। এছাড়া অনূর্ধ-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্ট ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা আয়োজন করছি।

শুধু আয়োজন করাই নয়, ফুটবলারদের স্কিল ডেভলপম্যান্টের জন্য গত বছর আমরা ৪জনকে ব্রাজিলে পাঠিয়ে তাদের বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এনেছি। এ বছর আমারা চাচ্ছি ছেলে এবং মেয়ে উভয় দলকে বিদেশ সফরে নিয়ে ট্রেনিং করিয়ে নিয়ে আসতে। যেহেতু ফুটবল পিছিয়ে যাচ্ছে সেহেতু আমরা মন্ত্রণালয় দায়িত্ব নিয়েছি। তৃণমূল থেকে উঠে আসা ফুটবলাররা যাতে হারিয়ে না যায় সেজন্য আমাদের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

প্রাইমারি স্কুল শেষ করেই তরুণরা যাতে হাইস্কুলে এসে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে। আবার হাইস্কুল শেষে কলেজ আর কলেজ শেষে যাতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেভেলে গিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে। এই যে একটা চেইন আমরা মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি এটা বাস্তবায়ন করছি। শুধুমাত্র ফুটবলের জাগরণ তৈরিতে আমাদের এটা করা।

সাফ গেমস, এশিয়ান গেমসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আর্চারিসহ বিভিন্ন ইভেন্টের খেলোয়াড়রা স্বর্ণপদক জিতে দেশের মান সমুন্নত করছেন। কিন্তু তারা ক্রিকেটারদের মতো সেভাবে পারিশ্রমিক বা সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। এই করোনায় তারাই সবচেয়ে বড় সমস্যায় রয়েছেন। ফেডারেশনগুলো বা জেলার ডিসিরা কাজ করছেন। আসলে সামগ্রিকভাবে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত, সবাইকে একোমোডেট করার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফেডারেশনগুলো সহযোগিতা করছে, আমরা হেল্প করছি।

আমাকে যেমন গতকাল সাইকেলিং ফেডারেশন থেকে জানানো হয়েছে, তাদের যারা অসহায় খেলোয়াড় আছেন তাদেরকে প্রতি মাসে চার থেকে ছয় হাজার টাকা করে সহায়তা দেবে। প্রতিটি ফেডারেশনে যার যতটুকু সামর্থ আছে হেল্প করছে।

আমি মনে করি সামগ্রিকভাবে আমাদের এটি করতে হবে। সামর্থবানরা সবাই যদি পাশে এসে দাঁড়ান তাহলে আমার মনে হয় সমস্যা দ্রুত কেটে যাবে। আর যেটা বললেন ক্রিকেট ফুটবলের মতো অন্য ফেডারেশনের খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতায় নেই। এই কারণে অন্যান্য ইভেন্টে যারা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভালো করছে তাদেরকে বিভিন্নভাবে চাকরি দেয়াসহ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যারাই ভালো করতেছে তাদের সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী এবং আনসারসহ বিভিন্ন পর্যায়ে চাকরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখানে কিন্তু অনেক সুযোগ আছে।

ক্রিকেটের উন্নয়নে বিসিবি যথেষ্ট চেষ্টা করছে। তাদের বিভিন্ন লেভেলে বয়স ভিত্তিক টিম রয়েছে। শুধু টিম থাকাই নয়, বিদেশি কোচের অধীনেও তারা ট্রেনিং করছে। অন্য কোনো খেলায় কিন্তু এই সুযোগটা নেই। ক্রিকেটের অ্যাকাডেমিক দলকেও বিদেশি কোচ দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এটা অনেক বড় একটা বিষয়।

আপনি জানেন, আল্লাহর রহমতে আমাদের অনূর্ধ-১৯ ক্রিকেট দল এ বছরই বিশ্বকাপে ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় একটা প্রাপ্তি। খেলোয়াড় সৃষ্টিতে ক্রিকেট বোর্ডের পাশাপাশি বিকেএসপিও অনেক অবদান রাখছে। যুব বিশ্বকাপের অনেক খেলোয়াড় বিকেএসপির ছাত্র। ক্রিকেট বোর্ডের পাইপ লাইনও অনেক স্ট্রং।

তবে টেস্ট ক্রিকেটের উন্নয়নে আমাদের লংগার ভার্সনের প্রতিযোগতা আরও বাড়ানো হবে। এখানে আমাদের আরও বেশি নজর দিতে হবে। চার দিনের ক্রিকেট ম্যাচে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির মতো টেস্টেও শক্তিশালী দল গঠন করা যাবে।

আল্লাহর রহমতে আমাদের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দল অনেক শক্তিশালী। যে কোনো দল এখন আর আমাদের বলে কয়ে হারাতে পারবে না। টেস্টেও আমাদে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে। লংগার ভার্সন ক্রিকেটে আরো বেশি গুরুত্ব দেয়া হলে খেলোয়াড়রা যেমন খেলাধুলা করার সুযোগ পাবে ঠিক তেমনি আমরাও টেস্টে প্রত্যাশিত উন্নতি করতে পারব।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো
এই বিভাগের আরো খবর