বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

১৯৯১

`প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে`

সংসদ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০১৯  

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন, শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলার লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এ জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত আসনের খোজেদা নাসরিন আক্তার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান গণ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। 

সাংসদ নিজাম উদ্দিন জলিলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দেশের বেশিরভাগ জেলা শহরে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারি দলের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত স্নাতক ও সমপর্যায়ের ১০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮০ জন শিক্ষার্থীকে ৬৫৩ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ১২০টাকা উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ লাখ ৪০ হাজার ৬২ জন ছাত্রী।

ঢাকা ১১ আসনের সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারি সুবিধাভোগী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি বাবদ ৩০০০ টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। সরকার নির্ধারিত চার্জের বাইরে কোন অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধ করতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেলে তাদের পরিচালন ব্যয় কমে যাবে। এতে করে ছাত্রছাত্রীদের বেতন কমানো সহজ হবে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে।

এই সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, গত ১০ বছরে ২৯৬ কোটি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ১৭২টি বিনামুল্যের বই বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৯৫ কোটি ১ লাখ ২০ হাজার ৭৮৪ কপি পাঠ্যবই ও শিক্ষকদের মাঝে এক কোটি ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৩৮৮টি শিক্ষক নির্দেশিকা।

সংরক্ষিত আসনের সাংসদ বেগম হাবিবা রহমান খানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ১ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১৫ দশমিক ০৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা ২০ শতাংশ এ উন্নীত করতে কারিগরি শিক্ষায় আসন ২৫ হাজার থেকে ৫৭ হাজার ৭৮০টিতে উন্নীত করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৭ লাখ ১২ হাজার ২০৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫২৬ জন ও ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে ২০ লাখ ১৫৯ জন ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো
এই বিভাগের আরো খবর