বৃহস্পতিবার   ১৭ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৭ সফর ১৪৪১

৫৪

এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রুখতে কমানো হবে ইন্টারনেটের গতি

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০১৯  

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষাকে প্রশ্নফাঁস মুক্ত রাখতে সকল ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে মাঠ পর্যায়ে ইতোমধ্যে নজরদারি শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ সাইবার সেল নজরদারি করছে অনলাইনেও। তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সচেতন হলে সরকারের সকল আয়োজন সফল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ১১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে শুরু হবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা।

এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস মুক্ত রাখতে পরীক্ষার দিন ও তার আগের দিন ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও বিটিআরসিকে এই সিদ্ধান্তের প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে। গত বেশ কয়েকবছর ধরে দেশের সকল পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো অভিযোগ ওঠেনি। এছাড়াও সদ্য সমাপ্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস রুখতে যা যা করার দরকার তা’ই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে কেন্দ্রসমূহ তদারকির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ১০৭ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে কেন্দ্র ও ভেন্যুভিত্তিক টিম গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিদর্শনকারী টিমসহ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ক্যালকুলেটর, ঘড়ি, হেডফোন, ব্লু-টুথসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা কেন্দ্রে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ বছর প্রশ্নপত্র প্রণয়নে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রেরণের জন্য ট্রাংকের সঙ্গে সংযুক্ত ট্র্যাকিং ডিভাইসসমূহ প্রস্তুত করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থা তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি জোরদার করেছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের পরীক্ষার দিন ৯টার মধ্যে এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাদের সকাল ৮টার আগেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আবশ্যিকভাবে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ বছর সরকারি ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে চার হাজার ৬৮ আসন ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ছয় হাজার ৩৩৬ আসনসহ মোট ১০ হাজার ৪০৪ আসনের বিপরীতে ৭২ হাজার ৯২৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। যা গত বছরের তুলনায় সাত হাজার ৯ জন বেশি।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো
এই বিভাগের আরো খবর