শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

২২১

এবার তীব্র গতিতে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘পবন’!

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০১৯  

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে তাণ্ডব চালানোর পর প্রলয়ঙ্ককারী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এখন শান্ত। ভাবছেন ভয় কেটে গেছে! কিন্তু না, এবার এবার তীব্র গতিতে আঘাত হানবে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘পবন’।

কারণ আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত সৃষ্টি হয় ঘূর্ণিঝড়। এরপরের বার আরব ও বঙ্গোপসাগরে যে ঝড়টি আসবে তার নাম হবে ‘পবন’। এরপর যেটি আসবে তার নাম হবে ‘আস্ফান’।

তবে এর পরের ঝড়টির নাম কি হবে তা এখনও ঠিক করা হয়নি। উত্তর ভারত মহাসাগরে অবস্থিত আটটি দেশ ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ওমান এবং মালদ্বীপ এই দেশগুলোই আরব ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করে। তাই দ্রুতই তৈরি করা হবে আরও নতুন নামের তালিকা।

ভারতের কেন্দ্রীয় আবহবিজ্ঞান দপ্তরের ঘূর্ণিঝড় বিভাগের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র এ বিষয়ে বলেন, ‘নতুন বছরের জানুয়ারির মধ্যে নতুন তালিকা তৈরি হবে। সব দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে।’

ইতিমধ্যে বাংলাদেশসহ আটটি দেশ, নিজদের মতো করে বেশ কিছু নাম ঠিক করে ফেলেছে। তার মধ্যে থেকেই বেছে নেয়া হবে নতুন সব নাম।

যেভাবে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়

১৯৪৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত একটি নামের তালিকা থেকে একেকটি ঝড়ের নাম দেয়া হয়। কখন, কোথায়, কোন ঝড় হয় তা নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য এদের নামকরণ করা হয়। কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার অর্জন করে, তাহলে তাকে একটি নাম দেয়া হয়।

১৯৯৯ সালে ওডিশায় ঘূর্ণিঝড়ের পর ২০০০ সালে ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও) ও এসক্যাপ তাদের বৈঠকে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরুর বিষয়ে একমত হয়। ২০০৪ সালে প্রথম ‘অনিল’ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো
এই বিভাগের আরো খবর