বুধবার   ১৬ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ১ ১৪২৬   ১৬ সফর ১৪৪১

৮৯

আসছে পেঁয়াজ, কমছে দাম

অর্থনীতি ডেস্কঃ

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

টানা বেশ কয়েকদিন উচ্চমূল্য থাকার পর অবশেষে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের মূল্য। এর আগে সম্প্রতি খুচরা বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ৬০-৭০ টাকার মধ্যে ওঠা-নামা শুরু করে। প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইজ (এমইপি) নির্ধারণ করায় বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বল্প পরিসরে টিসিবি কর্তৃক ৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করে সরকার। তবে পুরো দেশেই পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে ভারত ছাড়াও তুরস্ক, মিসর ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা হচ্ছে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি। সেজন্য এলসি খোলাও হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বাজারে পেঁয়াজ এসে পৌঁছাবে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পেয়াজের বাজার দর শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন এই তথ্য জানান। তিনি জানান, অভ্যন্তরীণ বাজরগুলোতেও দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়েছে। কোনো বাজারেই পেঁয়াজের ঘাটতি নেই। তাই ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পণ্যটির মূল্য দ্রুত কমে আসছে। সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যেই পেঁয়াজের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নৈতিকতার সঙ্গে এ ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পেঁয়াজ আমদানি ও বাজারজাত সহজ এবং দ্রুততর করতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণসহ বাজার তদারকিতে জোর দিয়েছে। 

তিনি আরো জানান, এ পণ্যটির দাম কমিয়ে আনতে মিসর ও তুরস্ক থেকে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানির এলসি খোলা হয়েছে। যা আগামী কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে ভারত থেকেও নতুন পেঁয়াজ শীঘ্রই বাজারে আসছে। দেশে পেঁয়াজের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্য সচিব জানান, হাট-বাজারের পেঁয়াজ দ্রুত ঢাকাসহ দেশের সকল স্থানে  অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইতোমধ্যেই সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সভায় বাণিজ্য সচিব উপস্থিত পেঁয়াজ আমদানিকারক এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পণ্যটির আমদানি, মজুত ও মূল্য পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানায়, বর্তমানে পেঁয়াজের মূল্য খুবই স্থিতিশীল। ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমার ও মিসর থেকে ইতোমধ্যেই পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাজারগুলোতে পণ্যটির সরবরাহ বেড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে পেঁয়াজের আমদানি। এ সময় সরকারের চলমান সহযোগিতা অব্যাহত থাকায় পেঁয়াজের বাজার দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

নিউজ বাংলার আলো
নিউজ বাংলার আলো
এই বিভাগের আরো খবর